গ্রীস দূতাবাসের সচিব হিসেবে নবীগঞ্জের ইউএনও বিশ্বজিত কুমার পালের পদন্নোতি।

প্রকাশিত: ৫:০১ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৫, ২০২০

গ্রীস দূতাবাসের সচিব হিসেবে নবীগঞ্জের ইউএনও বিশ্বজিত কুমার পালের পদন্নোতি।

এটিএম ফোয়াদ হাসান: নবীগঞ্জ, (হবিগঞ্জ)।


নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা বিশ্বজিত কুমার পাল বাংলাদেশ দূতাবাস এথেন্স গ্রীসের প্রথম সচিব (শ্রম) হিসেবে পদোন্নতি হয়েছে।

গত মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাতে বাংলাদেশ সরকারের জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ের প্রেষন- ১, অধিশাখার উপসচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ সাক্ষরিত এক পত্রে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

২০১৯ সালের ২১ ডিসেম্বর গোয়াইনঘাট উপজেলা থেকে নবীগঞ্জ উপজেলার উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন বিশ্বজিত কুমার পাল। যোগদানের পর থেকে সততা, মেধা ও কর্মদক্ষতায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন ইউএনও বিশ্বজিত কুমার পাল।

নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা হিসেবে মাত্র ৬ মাস ২৪ দিন দায়িত্ব পালনকালে নবীগঞ্জ শহরের যানযট দূরীকরন, যানবাহনের অবৈধ স্ট্যান্ড ও অবৈধ দোকানপাট অপসারন, এবং নবীগঞ্জ শহরের সৌন্দর্য বর্ধনে তার ভুমিকা ছিল প্রশংসার দাবীদার।

দীঘলবাক ইউনিয়নের কসবায় ও আউশকান্দি ইউনিয়নের পারকুল গ্রামে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ, জেল জরিজানা, অবৈধ ব্রিকফিল্ড ধংশ। ঐতিহাসিক শাখাবরাক নদীর দখলদার উচ্ছেদে তার ভুমিকা ছিল প্রশংসনীয়।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে এবং সচেতনতায় তিনি দিনরাত মাঠপর্যায়ে মানুষকে সচেতন করতে করেছেন নানা আহবান, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও স্বাস্থ্যবিধি আইন অমান্য করায় অনেক ব্যাবসা প্রতিষ্টানকে করেছেন জরিমানা।

এছাড়াও অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনার জন্মদিয়ে সবসময় সর্বত্র আলোচনায় ছিলেন, নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা বিশ্বজিত কুমার পাল। করোনাকালে সর্বদা মাঠ পর্যায়ে থেকে কাজ করার সুফল হিসেবে হবিগঞ্জ জেলার মধ্যে একমাত্র ইউএনও হিসেবে শুদ্ধাচার পুরুষ্কারে মনোনীত হন। এবং স্বল্প সময়ে মেধা, পরিশ্রম, সততা, কর্মদক্ষতা দিয়ে মনজয় করেছেন পুরো নবীগঞ্জ বাসীর।

উল্লেখ্য ইতিপূর্বে বিশ্বজিত কুমার পাল গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা এবং শ্রীমঙ্গল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) দায়িত্ব পালন করেন। এবং শ্রীমঙ্গল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) থাকাকালীন মৌলভীবাজার জেলায় প্রথম শুদ্ধাচার পুরুষ্কার পান তিনি।