সেন্টমার্টিনে পর্যটন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে উত্তাল দ্বীপবাসী: জীবিকা সংকটে হাজারো মানুষ দৈনিক স্বদেশকণ্ঠ দৈনিক স্বদেশকণ্ঠ প্রকাশিত: ১:৪২ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ৬, ২০২৬ সেন্টমার্টিনে পর্যটন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে উত্তাল দ্বীপবাসী: জীবিকা সংকটে হাজারো মানুষ নিজস্ব প্রতিবেদক, সেন্টমার্টিন | ০৬ এপ্রিল, ২০২৬ দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে পর্যটক ভ্রমণে আরোপিত সরকারি বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। গত শুক্রবার (৩ এপ্রিল) জুমার নামাজের পর দ্বীপের জেটিঘাট সংলগ্ন বাজার এলাকায় এই কর্মসূচি পালন করা হয় এতে দ্বীপের ব্যবসায়ী, ট্রলার মালিক, হোটেল-রেস্তোরাঁ কর্মী এবং সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন পরিবেশ রক্ষার কারণ দেখিয়ে সরকার গত কয়েক মাস ধরে সেন্টমার্টিনে পর্যটক যাতায়াতে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। বিশেষ করে ফেব্রুয়ারি মাস থেকে পরবর্তী ৯ মাসের জন্য দ্বীপটি পর্যটকদের জন্য পুরোপুরি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তের ফলে স্থানীয় অর্থনীতিতে ধস নেমেছে । মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীদের প্রধান দাবিগুলো হলো: পর্যটক ভ্রমণে সকল প্রকার বিধিনিষেধ দ্রুত প্রত্যাহার করতে হবে, দেশের সকল নাগরিকের দ্বীপে অবাধ যাতায়াত ও অবস্থানের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল পুনরায় শুরু করতে হবে যাতে দ্বীপের পর্যটন খাত সচল হয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মাওলানা ফিরোজ আহমেদ খাঁন এবং স্থানীয় জামায়াত ও যুবদলের নেতৃবৃন্দ। বক্তারা বলেন, “সেন্টমার্টিনের প্রায় ১০ হাজার মানুষের জীবন-জীবিকা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে পর্যটনের ওপর নির্ভরশীল। দীর্ঘদিন পর্যটক না আসায় হোটেল, রিসোর্ট ও রেস্তোরাঁগুলো বন্ধ হয়ে গেছে, ফলে সাধারণ মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছে” । তারা সরকারের এই সিদ্ধান্তকে ‘আত্মঘাতী’ হিসেবে উল্লেখ করে অবিলম্বে পর্যটন কার্যক্রম স্বাভাবিক করার দাবি জানান। সরকারের মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী, পরিবেশ রক্ষায় সেন্টমার্টিনে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ২,০০০ পর্যটকের যাতায়াত সীমিত করা এবং রাত্রিযাপন নিষিদ্ধ করার মতো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে স্থানীয়রা বলছেন, যথাযথ বিকল্প কর্মসংস্থান তৈরি না করে এমন নিষেধাজ্ঞা তাদের মৌলিক অধিকার হরণ করছে । মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল দ্বীপের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে। স্থানীয়রা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়া হলে তারা আরও কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবেন। SHARES সারা দেশ বিষয়: