দাউদকান্দিতে পূর্বনির্ধারিত সীমানা নিয়ে বিতর্ক: মিথ্যা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সচেতন মহলের নিন্দা।

প্রকাশিত: ৩:৩৯ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ১৯, ২০২৬

দাউদকান্দিতে পূর্বনির্ধারিত সীমানা নিয়ে বিতর্ক: মিথ্যা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সচেতন মহলের নিন্দা।

রাসেল সুমন,(কুমিল্লা)দাউদকান্দি ||

দাউদকান্দি পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডে সরকারি বিধি মোতাবেক যথাযথ কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে নির্ধারিত সীমানা নিয়ে একটি মহল ভিত্তিহীন বিতর্ক ও অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিনে পরিদর্শন এবং সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বর্তমানে যে সীমানা প্রাচীর বা স্থাপনা নিয়ে বিতর্ক তোলা হচ্ছে, তা বিগত সরকারের আমলে তৎকালীন পৌর মেয়র নাইম ইউসুফ সেইন, সংশ্লিষ্ট এসিল্যান্ড এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) দায়িত্বশীল সকল পক্ষের উপস্থিতিতে নির্ধারিত হয়েছিল।
সে সময় জমির মালিক পক্ষ উপস্থিত থেকে এই সীমানা মেনে নেন এবং কোনো প্রকার আপত্তি (অবজেকশন) ছাড়াই তাদের ভবন নির্মাণ সম্পন্ন করেন।

নিয়ম অনুযায়ী, যে কোনো স্থাপনা বা বিল্ডিং নিজস্ব জায়গার শেষ সীমানা পর্যন্তই করা হয়। কিন্তু সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে, পূর্বের সেই নির্ধারিত সীমানা অনুযায়ী বিপরীত পাশের জমির মালিকরা যখন তাদের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করতে যাচ্ছেন, তখন ভবন মালিক পক্ষ বাধা প্রদান করছেন।
ভবন মালিকদের দাবি—তাদের সীমানা প্রাচীরের বাইরেও নাকি আরও জায়গা তাদের পাওনা রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহলের মধ্যে হাস্যরসের সৃষ্টি হয়েছে।

দাউদকান্দির প্রবীণ ও সচেতন নাগরিকরা প্রশ্ন তুলেছেন, “নিজস্ব জায়গার সীমানা দুই হাত ছেড়ে দিয়ে ভবন বা দেয়াল নির্মাণ করার নজির দাউদকান্দিতে কোথাও নেই।” বরং দেখা গেছে, অভিযোগকারী পক্ষ তাদের নির্ধারিত সীমানার পুরোটা ব্যবহার করেই ভবন নির্মাণ করেছেন।
এমতাবস্থায়, স্থাপনা গড়ে তোলা মালিক পক্ষ উল্টো বিপরীত পাশের খালি জায়গার মালিকদের বিরুদ্ধে ‘জায়গা দখল’-এর যে অভিযোগ তুলছেন, তাকে ‘হাস্যকর ও উদ্দেশ্যমূলক’ বলে অভিহিত করেছেন স্থানীয়রা।

এলাকাবাসীর মতে,এক সময় এ দিক দিয়ে মহল্লার মানুষদের চলাচলের রাস্তা ছিলো।বিগত স্বৈরাচার আওয়ামী সরকার আমলে স্থানীয় আওয়ামী মাস্তান সহ তাদের নিজস্ব ভাড়াটিয়া গুন্ডা ও আমিন দিয়ে একতরফা ভাবে জায়গা মেপে সীমানা নির্ধারন করে পুরো জায়গায় আগেই বিল্ডিং করে ফেলেছেন,তার জায়গা নতুন করে দখল হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। বরং স্থাপনা না থাকায় মালিকরাই এখন হয়রানির শিকার হচ্ছেন।অভিযুক্ত ভবনের মালিকের বিরুদ্ধে তার নিজ এলাকা (মেঘনা থানার,ভাটেরা গ্রাম)ভূমি দখলদার হিসেবে পরিচিত।নিজ গ্রামে অবৈধ ভাবে জমি দখল করতে গিয়ে এলাকা ছাড়তে হয়েছে। ৫ আগষ্ট স্বৈরাচার সরকার পতনের পর আওয়ামী পরিবার ছেড়ে জামাতের রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে চাচ্ছে যা অবশ্যই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দলের সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। 

দাউদকান্দির সচেতন মহল এই মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, একটি সঠিক ও স্বীকৃত সীমানা নির্ধারণ প্রক্রিয়াকে বিতর্কিত করে ব্যক্তি বিশেষের স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করা হচ্ছে। এই ধরণের উদ্দেশ্যমূলক প্রচারণা বন্ধে এবং প্রকৃত সত্য বজায় রাখতে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন স্থানীয় সুধী সমাজ।