​দাউদকান্দিতে সাংবাদিক দিদারের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও মিথ্যা সংবাদের অভিযোগ: ব্যবসায়ী নেতা পিটার চৌধুরীর সংবাদ সম্মেলন। 

প্রকাশিত: ১২:৩৫ অপরাহ্ণ, মে ২১, ২০২৬

​দাউদকান্দিতে সাংবাদিক দিদারের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও মিথ্যা সংবাদের অভিযোগ: ব্যবসায়ী নেতা পিটার চৌধুরীর সংবাদ সম্মেলন।

​দাউদকান্দি প্রতিনিধি:

চাঁদা না দেওয়ায় মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ পরিবেশন করে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন ও সম্মানহানি করার অভিযোগে সাংবাদিক হোসাইন মোহাম্মদ দিদারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন দাউদকান্দি বাজার ব্যবসায়ী কমিটির নবনিযুক্ত সাধারণ সম্পাদক ও পৌর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক পিটার চৌধুরী।

​মঙ্গলবার (১৯ মে) ২০২৬ দাউদকান্দি সদরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই অভিযোগ করেন।

​সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে পিটার চৌধুরী বলেন,আমি দাউদকান্দি পৌর সদরের একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী এবং দীর্ঘদিন ধরে সততার সাথে ব্যবসা পরিচালনা করছি। স্বাধীনতা পূর্বকাল থেকে আমার বাবা মরহুম আবদুল লতিফ চৌধুরী এই এলাকার একজন স্বনামধন্য ব্যবসায়ী, বিএনপি নেতা ও বিশিষ্ট সমাজসেবী ছিলেন। সম্প্রতি পৌর প্রশাসক মহোদয় আমাকে দাউদকান্দি বাজার ব্যবসায়ী কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদে নিয়োগ দিয়েছেন। এই নিয়োগের পর থেকেই ‘নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগপন্থী’ কথিত সাংবাদিক হোসাইন মোহাম্মদ দিদার বাজার কমিটির নিউজ করার নামে আমার কাছে মোটা অঙ্কের টাকা চাঁদা দাবি করে।”

তিনি আরও বলেন, চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সাংবাদিক দিদার ক্ষিপ্ত হয়ে ‘মেঘনা অনলাইন নিউজ পোর্টাল’-এ তাঁকে জড়িয়ে একটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও কাল্পনিক সংবাদ প্রকাশ করে। এই বিভ্রান্তিকর সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে পিটার চৌধুরী বলেন,সাংবাদিক দিদার আওয়ামী লীগের দোসর এবং একজন কুখ্যাত চাঁদাবাজ। সম্প্রতি সে আমার অফিস স্টাফ মো. তারেকের কাছেও চাঁদা দাবি করেছে। এই বিষয়ে তাঁর বিরুদ্ধে দাউদকান্দি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।ব্যবসায়ী নেতা পিটার চৌধুরী অভিযোগ করে বলেন, পার্শ্ববর্তী মেঘনা উপজেলার ভাটেরার চর গ্রামের বাসিন্দা হোসাইন মোহাম্মদ দিদার দীর্ঘদিন ধরে অখ্যাত ও আন্ডারগ্রাউন্ড পত্রিকা এবং অনলাইন পোর্টালের পরিচয় দিয়ে দাউদকান্দিতে নিরবিচ্ছিন্ন চাঁদাবাজি চালিয়ে আসছে। এলাকায় নানা অপকর্মের কারণে গ্রামবাসী তাকে বের করে দেওয়ার পর বিগত ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকারের এক নেতার আশ্রয়-প্রশ্রয়ে সে দাউদকান্দিতে বসবাস শুরু করে। তার কোনো বৈধ ব্যবসা-বাণিজ্য নেই এবং শুধুমাত্র চাঁদাবাজির টাকা দিয়েই সে পরিবার নির্বাহ করে।

​মিথ্যা নিউজের বিষয়ে জানতে চাইলে দিদার উল্টো ফেসবুকে অপপ্রচার চালাচ্ছে উল্লেখ করে পিটার চৌধুরী বলেন,আমি নাকি তাকে থানার সামনে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছি! যা

 সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং সত্যের লেশমাত্র নেই। সে নিজের চাঁদাবাজির কুকীর্তি আড়াল করতেই এই ধরণের ছলচাতুরীর আশ্রয় নিচ্ছে। আমি এই হলুদ সাংবাদিকের দ্রুত গ্রেফতার ও শাস্তি দাবি করছি।সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,​নুর মোহাম্মদ সেলিম সরকার, আহ্বায়ক, দাউদকান্দি পৌর বিএনপি।​সালাউদ্দিন সরকার, যুগ্ম আহ্বায়ক ও পৌর কাউন্সিলর।​মহিউদ্দিন তালুকদার, যুগ্ম আহ্বায়ক, পৌর যুবদল।​রাসেল মিয়া, আহ্বায়ক, পৌর ছাত্রদল।

​এ ছাড়া সংবাদ সম্মেলনে দাউদকান্দি পৌর বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থেকে পিটার চৌধুরীর বক্তব্যের প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেন এবং কথিত সাংবাদিক দিদারকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।